চট্টগ্রাম ভয়েস ডেস্ক:
চট্টগ্রামের জলবায়ু পরিবেশ, প্রকৃতি ও কৃষি বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এ্যাড ভিশন বাংলাদেশ ও গ্রীণ চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী নদী রক্ষাসহ পরিবেশ বিধ্বংশী কার্যক্রমের প্রতিবাদে “প্রকৃতির কান্না” শীর্ষক অনুষ্ঠান আজ ২৫ আগস্ট সোমবার বিকাল ৪টায় নগরীর মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমি হলে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আবদুল আজিজ। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ট্রেজারার ও মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. লায়ন মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশন অব এ্যালায়েন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল চিটাগাং ডিষ্ট্রিক্ট-১০২৪ এর গভর্ণর রোটারিয়ান এস.এম. আজিজ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চাটগাঁ টিভির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আকতার উদ্দিন রানা, চাটগাঁইয়া নওজোয়ানের সহ সভাপতি মো : জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান জেবিএস আনন্দ বোধি ভিক্ষু।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাজেদুল আলম চৌধরী মিল্টনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, কর্ণফুলি নদী এখন দূষণ ও দোষণের শিকারে নদীর নাব্যতা এবং শাসন হারিয়ে যেতে বসেছে। অনিয়ন্ত্রিত ও যত্রতত্র ড্রেজিং, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে আজ কর্ণফুলি নদী ধ্বংসের পথে। নদীর স্রোতধারা ও গতিপথ পরিবর্তন হওয়ার ফলে নদীর ঐতিহ্য হুমকির মুখে। বাংলাদেশের স্বার্থে ও বৃহত্তর চট্টগ্রামের স্বার্থে কর্ণফুলি নদীকে রক্ষা করতে হবে এবং বাঁচাতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, কর্ণফুলি নদী মানে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কর্ণফুলি নদী বাঁচলে চট্টগ্রাম বাঁচবে আর চট্টগ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।
বক্তারা আরও বলেন, কর্ণফুলি নদীতে যত্রতত্র বালু উত্তোলনের ফলে এবং অনিয়ন্ত্রিত ড্রেজিং এর কারণে নদী আজ নদীতে নেই। তাই যত্রতত্র অবৈধ বালু উত্তোলন এবং অনিয়ন্ত্রিত ড্রেজিং বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
গ্রীণ চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব স ম জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন এ্যাড ভিশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মো. মাসুদ রানা, আকতার হোসেন নিজামী, লায়ন মো: মাহতাব উদ্দিন, আসিফ ইকবাল, সমীরণ পাল, মোহাম্মদ রফিক, রোজী চৌধুরী, ফরমান উল্লাহ চৌধুরী, মোহাম্মদ কায়সার, মোহাম্মদ তিতাস, রুবেল দে প্রমুখ।